দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। পুরো ম্যাচে স্পেনের একচেটিয়া আধিপত্য, এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্দান্ত গোলকিপিং এবং শেষদিকে এনজো ফের্নান্দেসের লাল কার্ডে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
বিরতির পর নিকোলাস গনসালেসের বদলে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নামিয়ে মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করেন লিওনেল স্কালোনি। তবে মাঠে নেমেই ভুল পাস করে বিপদ ডেকে আনেন পারেদেস। সেই সুযোগ থেকে অ্যালেক্স বায়েনার শট ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পরে রদ্রিকে ফাউল করে হলুদ কার্ডও দেখেন এই মিডফিল্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধজুড়েই আক্রমণের ধার বাড়ায় স্পেন। দানি ওলমোর দূরপাল্লার শট, ফেরান তোরেসের হেড, পাউ কুবারসি ও আয়মেরিক লাপোর্তের প্রচেষ্টা—সবকিছুই একের পর এক রুখে দেন মার্তিনেজ।
চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। তার বদলে ফাকুন্দো মেদিনাকে নামানোর পাশাপাশি রদ্রিগো দি পলের জায়গায় জিউলিয়ানো সিমিওনেকেও মাঠে নামান স্কালোনি। এরপরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই।
স্পেনের আক্রমণ আরও ধারালো করতে আলেক্স বায়েনা ও দানি ওলমোর পরিবর্তে নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল মেরিনোকে নামান কোচ। তবে গোলের মুখ খুলতে পারেননি তারাও। ৮৭ মিনিটে মেরিনোর ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের শট পাশের জালে লাগে।
ম্যাচে আটটি সেভ করেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ফাইনালে এটি কোনো গোলরক্ষকের যৌথ সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড।
নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফের্নান্দেস। ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়েই লড়তে হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। লাল কার্ডের পরই নিকো উইলিয়ামসের জোরালো শট ঠেকিয়ে আবারও দলকে রক্ষা করেন মার্তিনেজ।
এদিকে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ম্যাচের প্রথম ৭০ মিনিট পর্যন্ত কোনো শটই নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবুও এমিলিয়ানো মার্তিনেজের অসাধারণ নৈপুণ্যে গোলশূন্য সমতা ধরে রেখে অতিরিক্ত সময়ে পৌঁছেছে আলবিসেলেস্তেরা।
এমএস/